News update
  • PM Tarique Makes Surprise Visit to SPARRSO     |     
  • Argentina Beat Jordan 3-1 to Top Group J     |     
  • 12 Chinese companies interested to invest over $9bn in Bangladesh     |     
  • BNP govt solved Rohingya crisis twice before, will do so again: FM     |     
  • Venezuela earthquakes kill 920, tens of thousands missing     |     

বিরোধীদের রাজপথে নামা নিয়ে সন্দেহ, অরাজকতা করলে মোকাবিলার হুঁশিয়ারি বিএনপির

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক রাজনীতি 2026-04-24, 9:10am

rfewrwerweyrty-dad3620feda0fc791b113fb4976018541777000208.jpg

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রাজপথে নেমেছে বিরোধী দল। ফাইল ছবি



জুলাই সনদ বাস্তবায়ন দাবিতে বিরোধী দল রাজপথে গেলেও এখনও সংসদেই সমাধান খুঁজছে বিএনপি। সরকারের দুই মাসের মাথায় জামায়াত-এনসিপি জোটের রাজপথে নামাকে সন্দেহের চোখে দেখছে দলটির নেতারা। আন্দোলনের নামে অরাজকতা করলে রাজপথেই মোকাবিলার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

দুদশক পর বড় ম্যান্ডেটে ক্ষমতায় আসায় উন্নয়ন কর্মসূচি এগিয়ে নিতে সরকার ও বিএনপি এখন একাকার। দিবস কেন্দ্রিক আয়োজন ছাড়া দলটির নয়াপল্টন কার্যালয় অনেকটাই নীরব। আওয়ামী শাসনের দমন পীড়নেও রাজপথে হার না মানা দলটি ব্যস্ত সংগঠন গোছাতে।

এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে জুলাই জাতীয় সনদ। এর বাস্তবায়নে এরইমধ্যে ‘সংস্কার পরিষদের’ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছে জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলীয় ঐক্য জোট। তবে এ প্রক্রিয়াকে অসাংবিধানিক দাবি করে শপথ নেয়নি ক্ষমতাসীন বিএনপি। তারা সংস্কার পরিষদের পরিবর্তে একটি ‘বিশেষ কমিটি’ গঠনের মাধ্যমে এর সুরাহা করতে চায়। কিন্তু বিএনপির এ প্রস্তাবে সায় দেয়নি বিরোধীরা।

ফলে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের মতভেদ এখন রাজপথে গড়িয়েছে। সংবিধান ‘সংস্কারের’ দাবিতে অনড় বিরোধী দল। অন্যদিকে বিএনপির অবস্থান ‘সংশোধনের’ পক্ষে। এই দুই শব্দের লড়াইয়ে ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে রাজনৈতিক সংকট।

দুই মাসের মধ্যেই বিরোধী দলের রাজপথে এমন আন্দোলনকে সন্দেহের চোখে দেখছে বিএনপি। অরাজকতা সৃষ্টি করতে চাইলে বিএনপি মাঠে নামবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির নেতারা। তবে বিরোধী দলের আন্দোলন ঠেকানোর কোনো নির্দেশনা এখনও পৌঁছেনি তৃণমূলে। 

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, নতুন সরকারের মাত্র দুমাস পার হয়েছে। এরই মধ্যে রাজপথে নামা উদ্দেশ্যমূলক। এখানে প্রশ্ন থাকে, দেশে গণতন্ত্র না ফেরাতে যদি কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব না? যারা দেশের জনগণের বিরুদ্ধে নামবে, আমরা তখন তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবো।’

 বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত বলেন, ‘সংসদীয় রাজনীতিতে তর্ক-বিতর্ক, বাগবিতণ্ডা কিংবা তীব্র মতানৈক্য তৈরি হবে, হৈ চৈও হতে পারে। সেটা রাজপথে টেনে আনার কোনো যৌক্তিকতা নাই।’  

 রাজপথের সংঘাত এড়িয়ে সংসদীয় বিতর্কের মাধ্যমেই এই সংকটের যৌক্তিক সমাধান সম্ভব বলে মনে করছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন। তিনি বলেন, ‘সংসদে বিরোধী দলের যে ভূমিকা রাখা দরকার, সেটা সেখানেই রাখা উচিত। এটা রাজপথের বিষয় নয়। সরকারি দল বলে নাই যে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে না। সংসদ চলবে, এটা আইনের মধ্যে আসবে, সংবিধান সংশোধন হবে- এরপর সনদ বাস্তবায়ন হবে। ঘোড়ার আগে তো আর গাড়ি যায় না।    

বিএনপি নেতারা বলছেন- লক্ষ্য এখন দ্বিমুখী। একদিকে রাষ্ট্র মেরামত ও অন্যদিকে দল পুনর্গঠন। তবে রাজপথে বিরোধী দলের কর্মকাণ্ডের ওপর সজাগ দৃষ্টি রাখছে দল। সময়