News update
  • Revenue Gap, Banking Crisis Threaten FY27 Budget: Experts     |     
  • Higher food costs drive Bangladesh inflation to 9.42% in May: BBS     |     
  • Ad-din Hospital to Pay Tk80 Lakh to Each Family     |     
  • Death Sentence in Ramisa Murder Case     |     
  • Govt Drafts New Model for $1tn Economy by 2034     |     

যুক্তরাজ্যে স্থায়ী নাগরিকত্ব পেতে অপেক্ষো করতে হবে ২০ বছর!

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক মিডিয়া 2025-11-16, 11:23am

56345trwerfewr-d69841fb7c5e6ab401dffec27e16a20d1763270582.jpg




যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদন করতে এখন ২০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আগামীকাল সোমবার (১৭ নভেম্বর) দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ এই পরিকল্পনা ঘোষণা করবেন বলে জানা গেছে।

রোববার সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথা জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রিটেনে আশ্রয়প্রার্থী ও ছোট নৌকায় চ্যানেল পাড়ি দেয়া মানুষের সংখ্যা কমাতে এই বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, আশ্রয়প্রাপ্তদের শুধু অস্থায়ীভাবে যুক্তরাজ্যে থাকতে দেয়া হবে। তাদের শরণার্থী মর্যাদা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে। যাদের নিজ দেশে নিরাপদ বলে বিবেচিত হবে, তাদের ফিরিয়ে দেয়া হবে।

ব্রিটেনে বর্তমানে শরণার্থী মর্যাদা পাঁচ বছরের জন্য দেয়া হয়। এরপর তারা স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করতে পারেন। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই প্রাথমিক মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে আড়াই বছর করতে চান। এছাড়া এটি নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে।তবে এখন স্থায়ী বসবাসের যোগ্যতা পাওয়ার সময়সীমা পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে ২০ বছর করার পরিকল্পনা করছে ব্রিটেন সরকার।

সানডে টাইমসকে ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই দেশে অবৈধভাবে আসবেন না, নৌকায় চড়ে আসবেন না, মূলত এই  বার্তা দেয়ার জন্যই সংস্কারগুলো করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘অবৈধ অভিবাসন আমাদের দেশকে বিভক্ত করছে এবং সরকার হিসেবে দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখা আমাদের দায়িত্ব।’ তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘আমরা যদি এটি সমাধান না করি, দেশ আরও বিভক্ত হয়ে পড়বে।

এই নীতি কোনো মৌলিক উদ্ভাবন নয়। আসলে এটি ডেনমার্কের মডেল থেকে নেয়া। ডেনমার্কে, শরণার্থীদের সাধারণত দুই বছরের অস্থায়ী বসবাসের অনুমতি দেয়া হয়। মেয়াদ শেষ হলে আবার নতুন করে আবেদন করতে হয়। আগে যে অনুমতি নবায়নের সম্ভাবনা বেশি ছিল, সেটিও বাতিল করা হয়েছে। নাগরিক হওয়া আরও কঠিন হয়ে গেছে।