News update
  • Presence of women voters is noticeable at polling stations in Kalapara     |     
  • Tarique Rahman wins both Dhaka-17, Bogura-6 seats     |     
  • Dhaka’s air ‘very unhealthy’, ranks 3rd most polluted city globally     |     
  • NCP demands vote recount in several constituencies, alleges irregularities     |     
  • US congratulates Bangladesh on successful election, BNP on ‘historic victory’     |     

ইমরান খানের ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি নেমে এসেছে ১৫ শতাংশে!

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক মানবাধিকার 2026-02-13, 9:05am

681737b8cbb096fb805ce0613b864bd2b783b0cba0db8059-a97d7940e691dfe116e531101205cfb41770951910.jpg




পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি মাত্র ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে বলে দাবি করেছেন আদালত-নিযুক্ত একজন আইনজীবী। অভিযোগ করা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ টানা তিন মাস তার অভিযোগ উপেক্ষা করেছে, যা ইমরানের কারাবাস নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট অব পাকিস্তান (এসসিপি) নিযুক্ত অ্যামিকাস কিউরি ব্যারিস্টার সালমান সফদার ১০ ফেব্রুয়ারি প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ইমরান খানের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার আটককেন্দ্র পরিদর্শন করেন। বুধবার তিনি আদালতে সাত পৃষ্ঠার একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেন।

প্রতিবেদনে ৭৩ বছর বয়সি এই নেতার অবনতিশীল স্বাস্থ্য ও দীর্ঘদিনের একাকী কারাবাসের উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৩ সালের আগস্টে একাধিক মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাবেক জেল সুপারিনটেনডেন্ট আবদুল গফুর আনজুমের দায়িত্বকালীন গত তিন মাসে ইমরান খানের দৃষ্টিশক্তি দ্রুত ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। জানুয়ারির মাঝামাঝি আনজুমকে বদলি করা হয়।

বারবার ঝাপসা দৃষ্টির বিষয়ে অভিযোগ জানানোর পরও ‘কারা কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি’ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সালমান সফদার লিখেছেন, ‘তিনি (ইমরান) জানান, পরবর্তীতে হঠাৎ করেই তার ডান চোখের দৃষ্টি সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে যায়।’ 

২০২৬ সালে ৬ তারিখের একটি মেডিকেল রিপোর্টে রোগটি ‘রাইট সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন অক্লুশন’ হিসেবে শনাক্ত করা হয় বলে সফদার উল্লেখ করেন।

পরবর্তীতে ইসলামাবাদের একটি শীর্ষ সরকারি হাসপাতালের একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করা হলে তিনি এই রোগ নির্ণয় নিশ্চিত করেন। এটি রেটিনায় রক্ত জমাট বাঁধার একটি অবস্থা, যা গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

সাফদার বলেন, সাক্ষাৎকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ‘দৃশ্যত বিচলিত ও গভীরভাবে মর্মাহত’ মনে হয়েছে। পুরো বৈঠকজুড়ে তার চোখে পানি ছিল এবং টিস্যু ব্যবহার করতে হয়েছে।

প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ‘আর কোনো বিলম্ব আবেদনকারীর সুস্থতার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে’ এবং বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসকদের দিয়ে অবিলম্বে স্বাধীন মেডিকেল পরীক্ষা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর সুপ্রিম কোর্ট দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। আদালত ইমরান খানের চোখ পরীক্ষা করার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন এবং যুক্তরাজ্যে বসবাসরত তার দুই ছেলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের অনুমতি দেয়ার আদেশ দেন। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে উভয় নির্দেশ বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা