News update
  • Capital markets surge at DSE with year’s highest turnover     |     
  • Weapons and drugs seized in Chattogram army operation, 2 arrested     |     
  • Tarique says people won’t allow ‘vote robbery’ on Feb 12     |     
  • Dhaka records world’s worst air quality Wednesday morning     |     
  • US Ambassador visits Ctg Port to reinforce commercial coop     |     

‘আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশের ওপর শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র’

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বানিজ্য 2026-01-28, 8:14am

werwerwergf-dd2175f985168b1df9b200eb138ea5df1769566467.jpg




বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর আরোপিত উচ্চ শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ কমানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে কিংবা আগামী সপ্তাহের শুরুতে ইতিবাচক ঘোষণা আসতে পারে।

মঙ্গলবার(২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে (ডব্লিউইএফ) বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও কূটনৈতিক অর্জনের আদ্যোপান্ত জানাতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 

লুৎফে সিদ্দিকী জানান, ওয়াশিংটন বাংলাদেশের ওপর আরোপিত শুল্ক কমানোর বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক এবং খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত ঘোষণা আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বর্তমানে বহাল থাকা ২০ শতাংশ শুল্ক ঠিক কতটা কমানো হবে, সে বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

দাভোসে সম্মেলনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের সঙ্গে তার ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অশুল্কনীতির অনেক বিষয়ই বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের যে বিশাল বাণিজ্যঘাটতি ছিল, তা অনেকটা কমে এসেছে। এসব ইতিবাচক দিক বিবেচনা করেই যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য বাধা কমাতে আগ্রহ দেখাচ্ছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়েও আলোকপাত করেন বিশেষ দূত। তিনি জানান, ইইউ কমিশনার রোক্সানা মিনজাতু ও জোজেফ সিকেলার সঙ্গে সম্ভাব্য মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, আমরা ইইউর সঙ্গে এফটিএ স্বাক্ষরের ব্যাপারে আমাদের প্রবল আগ্রহের কথা স্পষ্ট করেছি। তারা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে, তবে তাদের প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলো কিছুটা সময়সাপেক্ষ।

তিনি আরও বলেন, ইইউ বর্তমানে ভারত ও ভিয়েতনামের সঙ্গে এফটিএ নিয়ে কাজ করছে, যা বাংলাদেশের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তবে এই আলোচনাগুলো সচল রাখা এবং ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য বিস্তারিত নোট রেখে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। মূলত ডব্লিউইএফ সম্মেলনে বাংলাদেশের শক্তিশালী উপস্থিতি বিশ্বমঞ্চে দেশের নতুন ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।