News update
  • Woman killed, 4 of her family missing in Meghna boat capsize     |     
  • State can never be strong keeping citizens powerless: PM at UNGA     |     
  • Trump welcomes Xi in Washington as US-China trade truce extended     |     
  • Prevention at heart of govt’s healthcare reform: PM     |     
  • Death toll rises to 11 following typhoon-induced downpours in Japan     |     

একে একে বন্ধ হচ্ছে রাজধানীর সিএনজি স্টেশন

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক জ্বালানী 2026-07-29, 7:19am

img_20260729_071618-69c441af2bce25140dd709d8f6def8bb1785287955.jpg




রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলমান তীব্র গ্যাস সংকটের প্রভাব এখন সবচেয়ে বেশি পড়েছে সিএনজি স্টেশন, বাসাবাড়ি ও শিল্পকারখানায়। গ্যাসের স্বল্পচাপের কারণে রাজধানীর একের পর এক সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, বাসাবাড়িতেও লাইনে গ্যাস না থাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রান্নাসহ বিভিন্ন কাজে ভোগান্তিতে পড়ছে নগরবাসী।

চালকরা বলছেন, চাপ কম থাকার অজুহাতে দাম বাড়ানোর পায়তারা করছে একটি মহল। আর সিএনজি স্টেশন কর্তপক্ষ বলছে, গ্যাসের চাপ দিন দিন আরও কমছে।

কয়েকজন গ্রাহক বলেন, চার-পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেক সময় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। সকাল থেকে বন্ধ সিএনজি স্টেশন। অথচ গাড়ি নিয়ে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে গ্রাহকরা। কখন গ্যাস পাওয়া যাবে তার ঠিক নেই, তবুও অপেক্ষায় পার করছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

সিএনজি স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, লাইনে গ্যাসের চাপ আরও কমেছে, তাই গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।৪৫০

ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা বলেন, লাইনে চাপ নেই। আমাদের স্টেশন বন্ধ আছে। গ্যাসের চাপ যতদিন না আসে ততদিন ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকবে।

অন্যদিকে গ্যাস সংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে নগরবাসী। রাজধানীর বহু এলাকায় বাসাবাড়িতে দিনের অধিকাংশ সময় গ্যাসের চাপ না থাকায় রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক হিটার, ইনডাকশন চুলা কিংবা এলপিজি সিলিন্ডারের ওপর নির্ভর করছে। এতে বাড়তি খরচের চাপ বাড়ছে।

তাসলিমা নামে মিরপুরের এক গৃহিণী বলেন, সকালে চুলা জ্বলে না, দুপুরেও একই অবস্থা। রাতে সামান্য গ্যাস এলে তখন রান্না করতে হয়। একটা তরকারি রান্না করতেই অনেক সময় লেগে যাচ্ছে।

এদিকে এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস জানিয়েছে, কারিগরি ত্রুটির কারণে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালগুলো থেকে আরএলএনজি সরবরাহ প্রায় ৪৫০ এমএমসিএফডি কমেছে। এ কারণে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।

এদিকে, দেশের চলমান গ্যাস সংকট পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (বিআইপিএসএস) আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, একটি ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে আগুন লাগার কারণে এলএনজি খালাস ব্যাহত হয়েছে। এতে দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে এবং সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।

তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এফএসআরইউ মেরামতের কাজ চলছে। তবে মেরামত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এলএনজি কার্গো খালাস সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় রান্নার গ্যাসের চাপ কমে গেছে। পাশাপাশি গ্যাসনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায়ও সমস্যা দেখা দিয়েছে।