News update
  • JS passes Tk 9.38 lakh crore budget for FY27     |     
  • Court ruling blocks Aslam Chowdhury’s MP oath     |     
  • Prioritise natural resources regeneration in budget to make dev holistic     |     
  • Finance Bill passed, tax-free threshold set at Tk 4 lakh     |     
  • PM calls FY27 budget 'life-friendly', promises relief     |     

ফুটপাতে ব্যবসা নয়, কঠোর অভিযানে যাচ্ছে ডিএনসিসি: প্রশাসক

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2025-04-11, 8:53am

a6a41823b7e58a906f526ed88ec37996931025a0e20b0112-0761adde512d8070f17fab2d8114fd3e1744340014.jpg




জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করে ফুটপাত ও রাস্তায় কোনো ব্যবসা করতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। এজন্য আগামী সপ্তাহ থেকে কঠোর উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর মধুবাগ কমিউনিটি সেন্টারে ডিএনসিসির অঞ্চল ৩-এর বাসিন্দাদের সঙ্গে গণশুনানিতে ডিএনসিসির প্রশাসক এসব কথা বলেন।

এদিন গণশুনানিতে ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ৩৫ ও ৩৬ নং ওয়ার্ডের আওতাধীন স্কুল-কলেজের শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, বাজার কমিটির সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক ও নেতৃবৃন্দ, সোসাইটির নেতৃবৃন্দ, যুবক ও ছাত্র প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

গণশুনানিতে অংশ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের এলাকার নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে মশার উৎপাত, ফুটপাত বেদখল, স্ট্রিট লাইট সচল না থাকা, জলাবদ্ধতা, খাল উদ্ধার, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার দৌরাত্ম্য, খেলার মাঠ ও সড়ক মুক্ত করার দাবি।

হকাররা ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করছে উল্লেখ করে কয়েকজন নাগরিক দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার বিষয় বলেন। জবাবে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, এরইমধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে ফুটপাত ও রাস্তা দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হবে। জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করে ফুটপাত ও রাস্তায় কোনো ব্যবসা করতে দেয়া হবে না। সড়কের দুপাশে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হবে স্থায়ীভাবে।

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ইজিবাইকের কারণে রাস্তায় চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে এবং দ্রুত এগুলো বন্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কয়েকজন নাগরিক। জবাবে মোহাম্মদ এজাজ বলেন, প্রধান সড়কে অটোরিকশা চলাচল বন্ধে এরইমধ্যে ডিএমপি ট্র‍্যাপার (বিশেষ ফাদ) লাগানো শুরু করেছে। দেখা যাচ্ছে আইন না মেনে অনেকে ট্র‍্যাপার উপেক্ষা করে অটোরিকশা চলাচলের চেষ্টা করছে। আমরা এগুলো নিয়ে কাজ করছি। কার্যকরী ট্র‍্যাপার বসানোর পাশাপাশি অভিযান পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, জনগণের চাওয়া পাওয়ার সঙ্গে সিটি করপোরেশনের কাজের মিল হলে সফলতা আসবে। সেজন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মতামত ও পরামর্শগুলো সরাসরি জানতে আমি প্রতিটি ওয়ার্ডে যাচ্ছি। আপনারা যেগুলো তুলে ধরেছেন এর বাহিরে আরও যেসব সমস্যা রয়েছে সেগুলো আপনারা আমাকে লিখিত আকারে দেন। আমাদের ফেসবুক পেজে লিখেন। আমরা ব্যবস্থা নেবো। সবার ঢাকা অ্যাপটি দ্রুতই চালু করা হবে। সেখানেও আপনাদের অভিযোগ জানাবেন। আপনাদের সব তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। নির্দিষ্ট সময় পরে আমি আবার আপনাদের কাছে আসবো। তখন আপনারা আমাকে জবাবদিহিতার জন্য ধরতে পারবেন।

নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানো ও পরিছন্নতার কাজ করা হয় না উল্লেখ করে এক নাগরিক ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে বলেন। জবাবে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, মশককর্মী ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের নির্দিষ্ট এরিয়া ভিত্তিক কাজের যে দায়িত্ব দেয়া হবে নাম ও ফোন নম্বরসহ সেটির তালিকা ডিএনসিসির ওয়েবসাইটে দেয়া থাকবে। আগামী সপ্তাহ থেকে এটি বাস্তবায়ন হবে। আপনাদের এলাকায় কাজ না করলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া যাবে। দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মোহাম্মদ এজাজ আরও বলেন, দখল হওয়া পাবলিক স্পেস উদ্ধারে দ্রুতই অভিযান পরিচালনা করবে ডিএনসিসি। আমরা এরইমধ্যে কাজ শুরু করেছি। খাস জমিগুলো উদ্ধার করে ছোট ছোট পাবলিক স্পেস করে দেবো। ডিএনসিসির সব খেলার মাঠ ও পার্ক সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য উন্মুক্ত থাকবে। কোনো ব্যক্তি, ক্লাব বা সংস্থা বিনা অনুমতিতে খেলার মাঠ ও পার্ক ব্যবহার করতে পারবে না। পার্কের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ত করে একটি কমিটি করে তদারকি করবেন।

গণশুনানিতে অন্যান্যের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির অঞ্চল ৩- এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ উল মোস্তাক, নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আলম, কর কর্মকর্তা মো. শাহেদ জোহার, সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আজিজুন নেছা, সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

জানা যায়, ডিএনসিসির আওতাধীন ১০টি অঞ্চলের নগরবাসীর সমস্যার কথা জানতে গণশুনানির আয়োজন শুরু করা হয়েছে। গণশুনানিতে সরাসরি অংশ নিচ্ছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। এরইমধ্যে অঞ্চল ১, ২ ও ৩- এর সব ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সঙ্গে গণশুনানি সম্পন্ন হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকিগুলোত অনুষ্ঠিত হবে। সময়