News update
  • Fresh rain spell triggers waterlogging in Dhaka, hampers Eid prep     |     
  • Over 1.5 million pilgrims perform Hajj amid regional tensions     |     
  • After the blaze, Kalshi slum dwellers see what little remains     |     
  • Dhaka, 5 other divisions to see heavy rainfall in 24 hours     |     
  • Over 1.6 Million Pilgrims Gather at Sacred Arafat     |     

শিক্ষা উপদেষ্টার আশ্বাসেও অনড় কুয়েট শিক্ষার্থীরা, অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ক্যাম্পাস 2025-04-23, 1:56pm

rtert45324-24f3c3d4aa51cdacea0fc759d63a6e0f1745394981.jpg




খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অনশন প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার। এ সময় তিনি শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কথাও বলেন। তবে শিক্ষার্থীরা উপদেষ্টার আশ্বাসে আশ্বস্ত না হয়ে কুয়েট উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

বুধবার (২৩ এপ্রিল) সকাল পৌনে ১০টার দিকে শিক্ষা উপদেষ্টা কুয়েটে আসেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

এ সময় শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে শুনেন এবং তাদের অনশন ভেঙে আইনের ওপর আস্থা রাখার অনুরোধ করেন।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘তদন্ত কমিটি করা হয়েছে, কমিটি দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। সেই অনুযায়ী জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে।’

তিনি এ সময় অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দ্রুত চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন। পরে উপদেষ্টা শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলেন।

তবে শিক্ষার্থীরা উপদেষ্টার আশ্বাসে আশ্বস্ত না হয়ে কুয়েট উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

এর আগে গত সোমবার বিকেল থেকে কুয়েটের স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারের সামনে আমরণ অনশণ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। এখন পর্যন্ত অসুস্থতার কারণে সাত শিক্ষার্থীকে মেডিকেল সেন্টারে নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের তিন সদস্য অনশনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন।

প্রসঙ্গত, ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্রদল-যুবদল এবং সাধারণ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে, যাতে অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। এরপর ২৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় একাডেমিক কার্যক্রম ও হল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

তবে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শিক্ষার্থীরা গত ১৩ এপ্রিল থেকে পুনরায় ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন এবং ভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। সময় সংবাদ