News update
  • Cultivation of Black Baby watermelons on a rooftop in Kalapara     |     
  • Low pressure area on Bay; Maritime ports to hoist cautionary signal 3     |     
  • Nandini killing: Man sentenced to death in Lalmonirhat     |     
  • Four of a Rangpur family killed for objecting to Yaba taking: Police     |     
  • Bangladesh Rise to Highest-Ever Sixth in Test Rankings     |     

কলাপাড়ায় বাড়ীর ছাদে মালচিং পদ্ধতিতে ব্ল্যাক বেবি জাতের তরমুজ চাষ

কৃষি 2026-08-23, 5:39pm

successful-watermelon-cultivation-in-a-rooftop-in-kalapara-34a2d754576a907fa16caf6fb870a8bd1787485176.jpg

Successful watermelon cultivation in a rooftop in Kalapara



পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বাড়ীর ছাদে মালচিং পদ্ধতিতে ব্ল্যাক বেবি জাতের কালো রঙের তরমুজ চাষ করে সফল হয়েছেন  কৃষক মো. সেলিম গাজী। অসময়ে তার বাড়ির ছাদের মাচায় থোকায় থোকায় ঝুলছে কালো রংয়ের তরমুজ। ভারসাম্য রক্ষায় প্রতিটি তরমুজকে জাল দিয়ে ঝোলানো হয়েছে। শখের বশে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন সেলিম। তার সাফল্য দেখে গ্রামের অন্যরাও আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

সেলিম গাজী বলেন, বাড়ির ছাদে বস্তায় মাটি ও গরুর গোবর দিয়ে সার তৈরি করে তা দিয়ে প্রথমে পলিথিনে তরমুজের বীজ (চারা) করেন। এরপর ৫০টি থানায়  সেই তরমুজের চারা রোপন করেন তিনি। বৃষ্টিতে বেশ কিছু চারা নষ্ট হয়ে যায়। ২৫টি থানার চারা ভাল ছিল। তাতে ৪০ পিস তরমুজ হয়েছে। এই পদ্ধতিটি  তৈরিতে শুরুতে একসঙ্গে কিছুটা খরচ বেশি হলেও পরবর্তী সময়ে খরচ হয় খুবই কম। এ ছাড়া আগাছা হয় না বলে পরিষ্কারের কোনো ঝামেলা নেই। দফায় দফায় সার দেওয়ার ঝামেলাও নেই।

কৃষক সেলিম গাজী আরও বলেন, ইউটিউবে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষের কনটেন্ট দেখে আগ্রহী হন তিনি। এরপর  অনলাইনের মাধ্যমে বীজ ক্রয় করেন। বীজে চারা গজালে বাঁশ ও সুতা দিয়ে মাচা তৈরি করেন। বাঁশের খুঁটি দিয়ে মাচায় চারা তুলে দেন। ফের ইউটিউবের মাধ্যমে তরমুজ চাষে সার এবং ঔষধ প্রয়োগের বিষয়টি জানেন। এ তরমুজ শেষ হলে আরও  ৫০টি থানা জিওব্যাগের মাধ্যমে তিনি তৈরি করবেন বলে জানান। 

স্থানীয় বাসিন্দা ইদ্রিস গাজী বলেন, সেলিম গাজী একজন আদর্শ কৃষক। তিনি অত্যন্ত পরিশ্রমী মানুষ। এলাকায় বিষমুক্ত সবজি সহ নানান রকম ফসল ফলিয়ে নিজেদের চাহিদা পূরন করে বাজারেও বিক্রি করছেন । 

কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.আরাফাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষাবাদ করা ভাল। কারন বস্তা করলে কিছু দিনের মধ্যে বস্তা পচে যায়।

কৃষি কর্মকর্তা আরও  বলেন, তরমুজ একটি উৎকৃষ্ট ও তৃপ্তিদায়ক ফল। গরমের দিনে ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে লবণ ও পানি বেরিয়ে যায়, যা পূরণ করতে সাহায্য করে তরমুজ। এ ছাড়াও তরমুজে রয়েছে লাইকোপিন, যা একটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।   - গোফরান পলাশ