
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ঘোষিত রায় কার্যকর নিয়ে উচ্চ আদালতেও এ রায় বহাল থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
আজ রোববার (৭ জুন) রায় ঘোষণার পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মামলার নথি হাইকোর্টে পৌঁছালে দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এদিন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন, প্রধান আসামি সোহেল রানা সব অপরাধ স্বীকার করেছে এবং ঘটনার আগে শিশুটিকে ধর্ষণ করে হত্যা করে। অন্য আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার সোহেলকে ঘটনার পর পালাতে সহায়তার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
বিচারক আরও বলেন, আসামিদের অপরাধ সংশোধনযোগ্য নয় এবং যথাযথ শাস্তি না দিলে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হবে।
এ রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন রামিসার বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে পুলিশ তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিল করে এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
মাত্র পাঁচ কর্মদিবসে সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ করে দ্রুত রায় ঘোষণা করে আদালত, যা নজিরবিহীন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।