News update
  • PM to address UNGA in Bangla today     |     
  • UNGA President Warns Against Fading Attention to Rohingya     |     
  • PM Proposes Five Urgent Steps to Resolve Rohingya Crisis     |     
  • Govt Appoints Indonesian Firm to Operate Cox’s Bazar SPM     |     
  • ADB lowers Bangladesh’s growth forecast to 4 % in FY2027     |     

আলোচিত এনসিপি নেতা কাফি'র নামে জমি দখল ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের

অপরাধ 2026-07-22, 12:40am

nuruzzaman-kafi-reported-ncp-leader-in-kalapara-002573d8638756df6b9931a2d1b9a1171784659237.jpg

Nuruzzaman Kafi, reported NCP leader in Kalapara.



পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও এনসিপি নেতা নুরুজ্জামান কাফি, তার বাবা ও বড় ভাইয়ের নামে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার খেপুপাড়া সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলার অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ওসি, কলাপাড়া থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জুলাই সকাল সোয়া দশটার দিকে রজপাড়া গ্রামের নুরুজ্জামান কাফি, তার পিতা এবিএম হাবিবুর রহমান ও বড় ভাই মামুন মাটি কাটার ভেকু মেশিন, ভ্যান, কোদাল এবং খোন্তা নিয়ে খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রজপাড়া মৌজার বিএস ১২ নং  খতিয়ানের ৫৯ নং দাগের জমিতে প্রবেশ করে। পরে জমির মাটি কেটে আকার-আকৃতি পরিবর্তন করে চলাচলের রাস্তা তৈরির চেষ্টা করে। খবর পেয়ে ওই  বিদ্যালয়ের ৫ জন সহকারী শিক্ষক নিয়ে প্রধান শিক্ষক ঘটনাস্থলে যান এবং রাস্তা তৈরীতে বাঁধা দেন। এতে কাফি ক্ষিপ্ত হয়ে আবদুর রহিমের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সে সকল শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে এবং ধাক্কাধাক্কি দিয়া তাদের খুন জখমের ভয়ভীতি দেখায়। পরে কাফি, তার পিতা ও বড় ভাই ১১০ ফুট দৈর্ঘ্যের ও ৩০ ফুট প্রস্থের প্রায় ৬ শতাংশ জমির অন্তত: এক লক্ষ টাকার মাটি কেটে ট্রলি গাড়িতে  নিয়ে বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় স্তূপ করে রাখে। এবং ওই জমিতে ছোট ছোট কংকর পাথর ফেলে রাস্তা তৈরী করে। এতে বিদ্যালয়ের প্রায় ৫ লাখ টাকার  ক্ষতি হয়েছে বলে আবদুর রহিম তাঁর মামলায় উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে নুরুজ্জামান কাফি গণমাধ্যমকে বলেন, এ জমির ওয়ারিশগন দীর্ঘদিন মামলা চালিয়ে সুপ্রিম কোর্ট থেকে রায় পেয়েছে। তাদের কাছ থেকে তিনি বায়না সূত্রে খরিদ করেছেন। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সুষ্ঠুভাবে তদন্ত্র করলেই এর আসল সত্য বেরিয়ে আসবে। 

কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ফেরদৌস মিয়া মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করেছেন। - গোফরান পলাশ